বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন বিরোধী দলকে ছয় মাসের মধ্যে সমাধানের পরিকল্পনা দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন, তখন সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে শুধু বক্তব্যেই থেমে থাকেননি এনসিপির নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। বরং সংকট সমাধানের জন্য কীভাবে এগোতে হবে, সেই পদ্ধতিও তুলে ধরেছেন তিনি।
হাসনাতের দাবি, সংকট সমাধানের পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই বিরোধী দলের হাতে রয়েছে। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি মিলিয়ে ১৫ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন। এর মধ্যে ৩০ দিনের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য পাঁচটি, ৬ থেকে ১৮ মাসের জন্য ছয়টি এবং দীর্ঘমেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য চারটি প্রস্তাব রয়েছে।
শুধু পরিকল্পনার কথা বলেই থেমে থাকেননি হাসনাত। জ্বালানি পরিকল্পনা, কন্টিনজেন্সি প্ল্যান, ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান, ভর্তুকি নীতি এবং ‘মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫’ বাস্তবায়নের মতো নির্দিষ্ট বিষয় সামনে এনেছেন তিনি। বিশেষ করে মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাছে সরাসরি বিদ্যুৎ বিক্রির সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাবও তুলে ধরেছেন।
অর্থাৎ, সমস্যা কোথায় এবং সম্ভাব্য সমাধানের পথ কী—সেটি বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বলে দেওয়া হয়েছে, এমনটাই দাবি হাসনাতের।
এখন আসল বিষয় হলো—সরকার এই প্রস্তাবগুলো কতটা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে এবং বাস্তবে কতটা কার্যকর করে।
হাসনাতের ভাষায়, “সমাধান আমাদের হাতে। কিন্তু ক্ষমতা আপনার হাতে।”
তাই এখন সাধারণ মানুষেরও কৌতূহল—হাসনাত আব্দুল্লাহ যে পদ্ধতি ও পরিকল্পনার কথা সামনে আনলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারিভাবে সেগুলো গ্রহণ করে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবেন কি না
Leave a Reply